মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অকৃষি উদ্যোগ

নামাজের টুপি তৈরি কনটেন্টটিতে নামাজের টুপি তৈরি ও এর ব্যবসা কীভাবে শুরু করা যায়, ব্যবসা শুরু করার জন্য কোথায় প্রশিক্ষণ নেওয়া যায় , এই ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান এবং সর্বোপুরি এর মাধ্যমে কীভাবে বাড়তি আয় করা সম্ভব, সেই বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=47&content_type=0&doc_type=5

টাপেস্ট্রি হচ্ছে বিশেষ ধরণের খাড়া করে রাখা তাতেঁ বয়ন করা নকশি শিল্প । টাপেস্ট্রি করতে দৈর্ঘ বরাবর টানা ও প্রস্থ বরাবর পোড়েন এই দুই সেট সূতা ব্যবহার করা হয়। টাপেস্ট্রি করার সময় পোড়েন সূতার নকশি করা কাজ সামনে থাকে এবং শেষ করা কাজে টানা সূতা নজরের আড়ালে থাকে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/files/5527.jpg

কাপড়ের উপর পুঁতি ও পাথর বসিয়ে বাহারি ডিজাইনের একটি পদ্ধতি হলো কারচুপি। বর্তমান বাজারে কারচুপির কাজ করা কাপড়ের ভালো চাহিদা রয়েছে। করচুপির কাজ করতে হলে কিছু উপকরণ ও কাঁচামাল সংগ্রহ করে যে কেউ এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারবে। এই ভিডিও কনটেন্টিতে করাচুপির কাজ করার পদ্ধতি এবং আনুষঙ্গিক খরচ আগ্রহী জনগণের জন্য দেয়া হয়েছে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=735&content_type=1&doc_type=3

আমাদের দেশে অনেক মানুষ বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্পের মাধ্যমে আয়-রোজগার করে। বাঁশ ও বেতের বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরির নিয়মকানুন, ব্যবসা শুরুতে যা যা লাগবে এখানে সুন্দরভাবে দেখানো্ হয়েছে। এছাড়াও বাঁশ ও বেতের জিনিসপত্র বিক্রয় এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব বর্ণনা করা হয়েছে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/files/1355.pdf

আমাদের বাড়িতে অনেকে বিভিন্ন হাতের কাজ করে থাকে। একটি নকশার মাধ্যমে হাতের কাজ খুব সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। এরকম বিভিন্ন নকশা দিয়ে সাজানো হয়েছে এখানে। এ ধরনের নকশা দিয়ে অনেকে সুন্দর সুন্দর হাতের কাজ করতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/files/1354.pdf

বাংলাদেশে সারাবছরই প্রচুর পরিমাণে নারিকেল উৎপাদন হয়। নারিকেল দিয়ে মুখরোচক খাবার এবং তেল উভয়ই তৈরি করা হয়। এছাড়া নারিকেলের ছোবড়া জ্বালানি ছাড়াও খাটের জাজিম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে নারিকেলের ছোবড়া থেকে ওয়ালম্যাট, পাপোশ, রশি ইত্যাদি সৌখিন ও প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। নারিকেলের খোসাটি ছাড়িয়ে নিয়ে খোসাগুলো থেকে হাতে বা মেশিনের সাহায্যে আঁশ বের করা হয়। এ আঁশ দিয়েই বিভিন্ন ধরনের সৌখিন ও প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করা যায়।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=52&content_type=0&doc_type=5

কাপড় রং করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। যেমন- ব্লক প্রিন্ট, বাটিক, স্ক্রিন প্রিন্ট। এর পাশাপাশি কাপড় রং করার অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে টাই-ডাই। বাঁধন পদ্ধতিতে কাপড় রং করাকেই টাই-ডাই বলে। এক্ষেত্রে কাপড়ের কোনো কোনো অংশ কুঁচকে নিয়ে সুতা দিয়ে বাঁধা হয়। ঐ অবস্থায় কাপড়টি রং-এ ডোবালে বাঁধা অংশে রং লাগতে পারে না। বাকি কাপড় রং-এ রঙিন হয়। এভাবে রং লাগা ও রং না লাগা অংশ মিলে একটা নকশা সৃষ্টি হয়। বাঁধনের মধ্যে অল্প রং চুঁইয়ে ঢুকে কিছুটা গাঢ় ও কিছুট হালকা রং- এ রঙিন করে তোলে।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=53&content_type=0&doc_type=5

বাংলাদেশকে সোনালি আঁশের দেশ বলা হয়। আমাদের দেশের সোনালি আঁশ অর্থাৎ পাটের মান অন্যান্য দেশের চেয়ে উন্নত। পাট থেকে একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করা যেতে পারে অন্যদিকে বিভিন্ন শৌখিন পণ্যও তৈরি করা যেতে পারে। পাট থেকে সাধারণত চট তৈরি করা হয়। এই চট বিভিন্ন আকৃতিতে কেটে নিয়ে সেলাই ও নকশা করে নানা ধরনের সৌখিন পণ্য যেমন- ব্যাগ, ম্যাট, কলমদানী, পাপোশ ইত্যাদি তৈরি করা যায়। এগুলোকেই পাটজাত হস্তশিল্প বলা হয়।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=51&content_type=0&doc_type=5

বাঁশ দিয়ে সংসারের প্রয়োজনীয় ও সৌখিন উভয় পণ্যই তৈরি করা যায়। গ্রাম বা শহর উভয় জায়গাতেই বাঁশের তৈরি পণ্যের চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন সৌখিন পণ্যসামগ্রী দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। আড়ং, অন্তজ, বুনন, কে-ক্রাফটস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পণ্য সরবরাহ করে অধিক লাভবান হতে পারেন।

http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/detail.php?article_id=44&content_type=0&doc_type=5

আমাদের প্রতিদিন জীবনযাপনে অনেক আবর্জনা তৈরি হয়। আমাদের ফেলে দেওয়া অনেক জিনিস দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা যায়। ফেলে দেওয়া বিভিন্ন জিনিস থেকে নতুন কিছু জিনিস তৈরি করে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
























Share with :

Facebook Twitter